খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগ: রাজধানীতে আরও ১৫ জনের একদিনের রিমান্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগ: রাজধানীতে আরও ১৫ জনের একদিনের রিমান্ড

প্রতিকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক / যোগফল


১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে রাজধানীতে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের আরও ১৫ নেতাকর্মীর একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রিমান্ডের আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিমান্ডে যাওয়া ১৫ আসামি হলেন—লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়া।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৫২ জনকে আটক করা হয়।

পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।

অভিযানের সময় দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যানারগুলোর একটিতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। কয়েকটি ব্যানারে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছবি ছিল বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও দাবি করে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিল সফল করার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। এ সময় তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।

পরদিন ৫২ জনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে দুই কিশোরকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত ৫২ জনকে কারাগারে এবং দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ১৫ আগস্টের ঘটনায় ১৫ জনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই হাফিজুর রহমান। ওই আবেদনের শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে একই মামলায় যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান ও শাহিন হোসেন ইমনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক কারাগারে রয়েছেন। ঈশান ও হাসিব নামে দুই কিশোরকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

যোগফল নিউজ

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।